বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
শিরোনাম:
নেত্রকোণার সংরক্ষিত নারী আসনে সম্ভাব্য এমপি প্রার্থী অধ্যক্ষ রাবেয়া খাতুন নিষিদ্ধ ঘোষণার পরও পূর্বধলায় একুশের প্রথম প্রহরে আওয়ামী লীগের পুষ্পস্তবক গ্রাম থেকে হাটবাজারে ধানের শীষের প্রচারণা,বিজয় নিয়ে আশাবাদী যুবদল নেতারা দুর্গাপুর সাংবাদিক সমিতির সভাপতি ওয়ালী হাসান কলি,সম্পাদক শফিকুল আলম সজীব নির্বাচিত দুর্গাপুরে সেচ পাম্প প্রকল্পে ঘুষকাণ্ড, কৃষি অফিসারের বিরুদ্ধে তদন্ত দুর্গাপুরে খাস জমি থেকে জোরপূর্বক বালু উত্তোলন, বসতবাড়ি ও সড়ক বিলীনের শঙ্কা টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইনে নেত্রকোনায় প্রথম দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পেলেন সম্মাননা তারেক রহমানের জন্মদিনে নেত্রকোনা জেলা ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ নেতৃত্বের ছোঁয়ায় সেবায় নবযুগ: দুর্গাপুর হাসপাতালে রোগীদের ঢল প্রমাণ করছে পরিবর্তন পূর্বধলায় রাবেয়া আলী মহিলা ডিগ্রি কলেজে ছাত্রীদের বরণে শুভেচ্ছা ক্লাস অনুষ্ঠিত
লুৎফুজ্জামান বাবরের মুক্তিতে উচ্ছ্বসিত নেত্রকোনার হাওরপারের মানুষ
/ ১৫৬ বার পঠিত
আপডেট : শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৫, ২:০৯ পূর্বাহ্ন

১৭ বছর পর সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের কারামুক্তিতে উচ্ছ্বসিত নেত্রকোনার হাওরাঞ্চলের মানুষ। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে নেত্রকোনা থেকে তাঁর সমর্থক ও বিএনপির নেতা-কর্মীরা কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ফটকে গিয়ে তাঁকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নেন। যাঁরা ঢাকায় যেতে পারেননি, তাঁরা সময় গুনছেন কখন নিজ এলাকায় আসবেন প্রিয় নেতা।

লুৎফুজ্জামান বাবরের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনার মদন উপজেলায়। তিনি নেত্রকোনা-৪ (মদন-মোহনগঞ্জ-খালিয়াজুরী) আসন থেকে তিনবার সংসদ সদস্য ছিলেন। তাঁর মুক্তির প্রতিক্রিয়ায় মদন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. নূরুল আলম তালুকদার প্রথম আলোকে বলেন, ‘২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা, চট্টগ্রামে ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালানসহ অসংখ্য মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাদের প্রিয় নেতাকে পতিত স্বৈরাচারী সরকার কারাগারে আটকে রেখেছিল। বিভিন্ন মামলায় তাঁকে মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ বিভিন্ন মেয়াদে জেল দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আল্লাহ আছেন, তিনিই ন্যায়বিচারক। সব মিথ্যা মামলা থেকে আজ মুক্তি পেয়ে তিনি মুক্ত আকাশ দেখেছেন।

খালিয়াজুরী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবদুর রউফ স্বাধীন বলেন, ‘যারা সাজানো মামলায় আমাদের নেতাকে ফাঁসির রায় দিয়েছিল, তারা আজ দেশছাড়া। তাদের জন্য ঝুলছে ফাঁসির দড়ি। এটাই হচ্ছে ইতিহাসের নির্মম সত্য। আমাদের নেতা, আমাদের সন্তান এখন মুক্ত। আদালত তাঁকে সাজানো মামলা থেকে রেহাই দিয়েছেন। আমরা ন্যায়বিচার পেয়েছি। তাঁর আগমনের আশায় এখন হাওরপারের মানুষ প্রতীক্ষায় রয়েছেন।’

মদনের বগজান এলাকার বাসিন্দা ফয়েজ আহমেদ বলেন, ‘বাবর ভাই এই ভাটি এলাকার প্রাণপুরুষ। তিনি যখন ক্ষমতায় ছিলেন, এলাকার ব্যাপক ‍উন্নয়নসহ অসংখ্য মানুষকে চাকরি দেওয়া এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছেন। আদালতের রায়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমরা সৃষ্টিকর্তার কাছে শুকরিয়া প্রকাশ করছি। তাঁকে অন্যায়ভাবে সাজা দেওয়া হয়েছিল।’

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও সংবাদ
Our Like Page