গত ১৯জানুয়ারী দৈনিক ব্রক্ষপুত্র এক্সপ্রেস পত্রিকায় ‘অপকর্ম ঢাকতে হয়ে গেলেন সাংবাদিক’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের পর প্রতিবাদ জানিয়েছেন দ্য ডেইলি ট্রাইব্যুনাল পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি ও স্বাধীনতা ডটকমকে সম্পাদক এস এম ওয়াদুদ।
প্রতিবাদলিপিতে স্বাক্ষরিত তিনি দাবি করেন, প্রকাশিত সংবাদে তাকে জড়িয়ে যে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, প্রকৃত ঘটনা হলো আমাদের মাদ্রাসার পাশে মো. রুহুল আমিনের বাড়ি, মাদ্রাসা ও মাদ্রাসার ছাত্রদের বিভিন্ন সময়ে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আসছিলো অনলাইন জুয়ার এই গডফাদার রুহুল আমিন।ক্যাসিনো গডফাদার মোঃ রুহুল আমিন বিভিন্ন সময়ে মাদ্রাসায় এসে ছাএদের বলতেন এই মাদ্রাসায় লেখাপড়া করলে জানে মেরে ফেলবো এবং গত ১৯শে ডিসেম্বর-২০২৪ মাদ্রাসার হাফেজ ছাত্রদের পাগড়ী প্রদান উপলক্ষে ৪র্থ বার্ষিকী ঐতিহাসিক ইসলামী বড় সভা ভাঙ্গার জন্য ১৮ ডিসেম্বর পূর্বধলা থানায় একটি অভিযোগ করেন ও ইসলামী বড় সভায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার জন্য অনেক চেষ্টা করেন, মোঃ রুহুল আমিনের ভয়ে বর্তমানে মাদ্রাসার কমলমতি শিশুরা আতঙ্কে জীবন যাপন করছেন।
পূর্বধলা সদর ইউনিয়নের খারছাইল গ্ৰামের মোঃ রুহুল আমিন মিয়া ছিলেন একজন দিনমজুর শ্রমিক। মাত্র আড়াই থেকে তিন বছরের ব্যবধানে হঠাৎ করেই আঙুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছেন তিনি। এলাকায় গড়ে তুলেছেন কোটি টাকা মূল্যের আলিশান বাড়ি, নামে-বেনামে রয়েছে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি। মোঃ রুহুল আমিন নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে তুলেছেন অনলাইন ক্যাসিনো ও অনলাইন জুয়ার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মকে পুঁজি করে তিনি খারছাইল নিজের বাসায় বসেই বাংলাদেশে নিয়ন্ত্রণ করছেন অনলাইন ক্যাসিনো সিন্ডিকেট, অনলাইন জুয়ার এই গডফাদার,রুহুল আমিন অনলাইন জুয়া পরিচালনা হচ্ছে নিজের ওয়েবসাইট, ফেসবুক-ইউটিউবে এসব সাইটের তথ্য। মোবাইলে ফেসবুক চালু করলেই স্কিনে ভেসে উঠছে একাধিক অনলাইন জুয়ার পেজ। ফেসবুক আইডি, পেজ, গ্রুপ, ওয়েবসাইট ও মোবাইলভিত্তিক এনক্রিপ্টেড অ্যাপ দিয়ে চলছে এই জুয়ার সাইটগুলো। পূর্বধলায় অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে উড়ছে কোটি কোটি টাকা। এই জন্য বিভিন্ন সময় থানা পুলিশ, ডিবি পুলিশ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী,রুহুল আমিনের বাড়িতে গিয়েছেন অভিযান পরিচালনা করতে।
এস এম ওয়াদুদ বলেন,জুলাই বিপ্লবের আন্দোলন চলাকালীন সময়ে ছাত্রলীগের মিছিল ফেসবুকে লাইভে কথা সংবাদে বলা হয়েছে ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিম উদ্দিন এতিমখানার ছাত্রদের এবং আমার ভুয়া জন্ম নিবন্ধন নিয়ে যে সাংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট, কাজেই আমার বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ আনা হয়েছে তার সবই মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট, ষড়যন্ত্রমূলক, হয়রানীমূলক এবং সম্মানহানিকর, এসব সংবাদ প্রকাশ করে আমাকে সামাজিক মর্যাদা ক্ষন্ন করা হয়েছে,কিছু স্বার্থম্বেষী মহল চক্রান্ত করে আমার সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে এমন মিথ্যা সংবাদ প্রচার করেছে। এহেন মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিক এস এম ওয়াদুদ।


